রাজকন্যাকে বন্দি রাখার বিষয়ে মুখ খুলেছে আমিরাত

রাজকুমারী লতিফা নিজেকে বাবার হাতে ‘বন্দি’ দাবি করা নিয়ে মুখ খুলেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। তাকে বাড়িতে রেখে যত্নআত্তি করা হচ্ছে বলে দেশটির লন্ডন দূতাবাস জানিয়েছে।

সম্প্রতি বাবার হাতে ‘বন্দি’ দাবি করে মুক্তি চেয়ে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন দুবাইয়ের রাজকুমারী লতিফা। তার বাবা সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন রশিদ আল-মাখতুম।

শুক্রবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিবৃতিতে দাবি করা হয়, গণমাধ্যমের প্রতিবেদনগুলোতে প্রকৃত পরিস্থিতি প্রতিফলিত হয়নি। দ্রুতই লতিফা সামাজিক জীবনে ফিরবেন।

বিবৃতিতে দাবি করা হয়, বাড়িতে প্রিন্সেসের (লতিফা) যত্ন নেওয়া হচ্ছে বলে তার পরিবার নিশ্চিত করছে। তাকে তার পরিবার ও চিকিৎসারা দেখাশোনা করছেন। তার অবস্থার উন্নতি হচ্ছে এবং উপযুক্ত সময়ে তিনি সামাজিক জীবনে ফিরবেন বলে আশাবাদী আমরা।

২০১৮ সালেও দেশ থেকে গোপনে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছিলেন রাজকুমারী লতিফা। ভারতের মালাবর উপকূল থেকে তাকে জোর করে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় তখন।

এরপর বাবার সঙ্গে তার দ্বন্দ্ব নিয়ে বছরজুড়ে পত্রিকার শিরোনাম হয়ে এসেছেন তিনি।

গত মঙ্গলবার বাথরুমে মোবাইল ফোনে ধারণ করা একটি গোপন ভিডিও প্রচার করেছে বিবিসি।

এতে ৩৫ বছর বয়সী রাজকন্যাকে বলতে দেখা গেছে, আমি একজন জিম্মি, আমি মুক্ত না। এই কারাগারের (বাথরুম) মধ্যে আমি বন্দি। আমার জীবন আমার হাতে না।

তিনি একটি বদ্ধ বাথরুমের ভেতরে দেয়ালের সঙ্গে বসে কথা বলেন। বিবিসি বলছে, এই গোপন বার্তাটি রাজকুমারী তার বন্ধুদের কাছে পাঠিয়েছেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষের কাছে রাজকন্যা লতিফার বন্দি থাকার বিষয়টি উত্থাপন করার কথা জানিয়েছে জাতিসংঘ।

ব্রিটেনের পররাষ্ট্র এবং উন্নয়ন বিষয়ক কার্যালয় এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যালোচনার কথা জানিয়েছে।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.