দেশে সাফল্যের ঝড় তুলে বিদেশেও সাড়া ফেলেছে ‘হাওয়া’। ‘হাওয়া’ সিনেমা মুক্তির পর থেকেই সাফল্যের হাওয়ায় ভাসছে নিভে যাওয়া বাংলা সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি। প্রায় এক দশক পর দেশের হলগুলো বর্তমানে হাউসফুল যাচ্ছে। এমনকি হলিউড সিনেমা নামিয়ে হলগুলোতে ‘হাওয়া’ সিনেমা ওঠানো হয়েছে। গভীর সমুদ্রে চিত্রায়িত মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত প্রথম সিনেমা ‘হাওয়া’।
দেশ মাতিয়ে ছবিটি ২ সেপ্টেম্বর উত্তর আমেরিকায় মুক্তি পেয়েছিল। প্রথম সপ্তাহে কানাডার ১৩টি এবং যুক্তরাষ্ট্রের ৭৩টিসহ মোট ৮৬ হলে মুক্তি পায় সিনেমাটি।
মুক্তির প্রথম চার দিনে ইউএস টপ চার্টে চলে এসেছে ‘হাওয়া’। এটিই বাংলাদেশের কোনো সিনেমার প্রথম ইউএস টপ চার্টে প্রবেশের ঘটনা।
এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় দ্বিতীয় সপ্তাহে রেকর্ড ৩৫টি থিয়েটারে চলছে এই সিনেমা।
প্রথম কোনো বাংলাদেশি সিনেমা হিসেবে এই অর্জন ‘হাওয়া’র।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আন্তর্জাতিক পরিবেশক স্বপ্ন স্কেয়ারক্রোর প্রেসিডেন্ট মোঃ অলিউল্লাহ সজীব।
৯ সেপ্টেম্বর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিখ্যাত এএমসি, রিগ্যাল, সিনেমার্ক, হারকিন্স, শোকেইস চেইনে প্রদর্শনী শুরু হয় ‘হাওয়া’র। প্রদর্শনীর দ্বিতীয় সপ্তাহে এসে ১১টি স্টেটের ২২টি থিয়েটারে চলছে ‘হাওয়া’।
স্টেটগুলো হলো নিউইয়র্ক, পেনসিলভানিয়া, মেরিল্যান্ড, ভার্জিনিয়া, মিশিগান, ম্যাসাচুসেটস, টেক্সাস, ক্যালিফোর্নিয়া, ফ্লোরিডা, জর্জিয়া এবং অরিগন।
অন্যদিকে কানাডায় সিনেপ্লেক্স এন্টারটেইনমেন্ট ও ল্যান্ডমার্কের চেইনে সাতটি প্রদেশ অন্টারিও, কুইবেক, ম্যানিটোবা, অ্যালবার্টা, ব্রিটিশ কলাম্বিয়া, সাসকাচুন, নোভাস্কোশিয়ার ১৩টি থিয়েটারে প্রদর্শনী হচ্ছে ‘হাওয়া’।
গভীর সমুদ্রে চিত্রায়িত মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত ‘হাওয়া’ সিনেমাটি এরইমধ্যে ব্লকবাস্টারের পথে ছুটছে। সিনেমাটিরে ‘সাদা সাদা কালা কালা’ গানটি অসম্ভব জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এর নানা চরিত্রে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী, নাজিফা তুষি, শরীফুল রাজ, সোহেল মণ্ডল, সুমন আনোয়ারসহ অন্যরা।