২০২৬ সালে এমিরেটস কেবিন ক্রুদের আয়ে নতুন চিত্র
২০২৬ সালে এমিরেটসের কেবিন ক্রু পেশা মধ্যপ্রাচ্যের বিমান শিল্পে অন্যতম আকর্ষণীয় ক্যারিয়ার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
২০২৬ সালে এমিরেটসের কেবিন ক্রু পেশা মধ্যপ্রাচ্যের বিমান শিল্পে অন্যতম আকর্ষণীয় ক্যারিয়ার হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। করমুক্ত বেতন, আন্তর্জাতিক ভ্রমণের সুযোগ এবং বিশ্বের অন্যতম স্বনামধন্য এয়ারলাইনসে কাজের অভিজ্ঞতা—সব মিলিয়ে প্রতি বছর হাজারো তরুণ-তরুণী এ পেশায় যোগ দিতে আগ্রহী হচ্ছেন।
দুবাইভিত্তিক এমিরেটস বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক এয়ারলাইনগুলোর একটি। ইউরোপ, এশিয়া, উত্তর আমেরিকা, আফ্রিকা ও ওশেনিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন গন্তব্যে তাদের বিস্তৃত নেটওয়ার্ক রয়েছে। ১০০টিরও বেশি দেশের কর্মী নিয়ে গড়ে ওঠা এই বহুজাতিক কর্মপরিবেশ কেবিন ক্রুদের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ করে দেয়।
২০২৬ সালে এমিরেটসের কেবিন ক্রুদের বেতন কাঠামোতে রয়েছে নির্দিষ্ট মূল বেতন, উড়োজাহাজে দায়িত্ব পালনের জন্য ঘণ্টাভিত্তিক ভাতা এবং বিদেশে অবস্থানের জন্য অতিরিক্ত ভাতা। সংযুক্ত আরব আমিরাতে আয়কর না থাকায় কর্মীরা তাদের উপার্জনের পুরো অর্থই হাতে পান।
নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত কেবিন ক্রুরা সাধারণত মাসিক ৪ হাজার ৫০০ থেকে ৫ হাজার দিরহাম মূল বেতন পান। এর পাশাপাশি প্রতি উড়ান ঘণ্টার জন্য প্রায় ৬৫ থেকে ৭০ দিরহাম হারে অতিরিক্ত ভাতা দেওয়া হয়। গড়ে মাসে ৮০ থেকে ১০০ ঘণ্টা উড়ান পরিচালনা করলে একজন জুনিয়র কেবিন ক্রুর মোট মাসিক আয় ভাতাসহ প্রায় ১০ হাজার থেকে ১২ হাজার ৫০০ দিরহামে পৌঁছাতে পারে।
অভিজ্ঞ কেবিন ক্রুরা রুট ও কর্মঘণ্টার ভিত্তিতে মাসে ১৩ হাজার থেকে ১৫ হাজার দিরহাম পর্যন্ত উপার্জন করেন। অন্যদিকে পার্সার বা কেবিন সুপারভাইজারের মতো জ্যেষ্ঠ পদে কর্মরতরা মাসে ১৬ হাজার থেকে ১৮ হাজার দিরহাম বা তারও বেশি আয় করতে পারেন।
বেতনের পাশাপাশি এমিরেটস কর্মীদের জন্য আবাসন, কর্মস্থলে যাতায়াত, আন্তর্জাতিক স্টপওভারে হোটেল সুবিধা, চিকিৎসা ও ডেন্টাল সেবা, ভ্রমণ ছাড় এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করে থাকে। ফলে কেবিন ক্রুরা শুধু আর্থিক সুবিধাই নয়, একটি আন্তর্জাতিক জীবনধারা ও বৈশ্বিক কর্ম-অভিজ্ঞতাও অর্জন করেন। এ কারণেই ২০২৬ সালেও এমিরেটসের কেবিন ক্রু পেশা বিশ্বজুড়ে চাকরিপ্রার্থীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে রয়েছে।
