‘এত কম টাকায় যুবরাজকে পাব ভাবিনি’

‘এত কম টাকায় যুবরাজকে পাব ভাবিনি’

একটা সময়ে ভারতীয় দলের নিয়মিত সদস্য ছিলেন যুবরাজ সিং। ২০১১ সালের বিশ্বকাপে ভারতকে ট্রফি উপহার দেয়ার পেছনে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন তিনি। ২০১৫ সালের আইপিএলে ১৬ কোটি রুপিতে বিক্রি হওয়া যুবরাজ আসন্ন আইপিএলের নিলামে প্রথম রাউন্ডে অবিক্রীত থেকে যান। তবে দ্বিতীয় রাউন্ডে তাকে বেস প্রাইস এক কোটিতে দলে নেয় মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।
ভারতের এই বিশ্বকাপ জয়ী তারকাকে দলে নেয়া প্রসঙ্গে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের কর্ণধার আকাশ আম্বানি বলেন, ‘আমরা যুবরাজের ক্যারিয়ার বাঁচানোর জন্য দলে নেইনি। যুবরাজকে আমাদের প্রয়োজন। সে এমন একজন বিশ্বেমানের ক্রিকেটার যে সব ট্রফি জিতেছে। তাছাড়া ওনার প্রচুর অভিজ্ঞতা আছে। দলে অনেক তরুণ ক্রিকেটার আছে, তাদের সমৃদ্ধ করার জন্য যুবরাজকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেয়া হবে।’
২০১৫ সালের আইপিএল ১৬ কোটি টাকায় বিক্রি হওয়া যুবরাজ, পরের আসরে বিক্রি হন ৮ কোটি রুপিতে। ২০১৭ সালে একই প্রাইসে যুবরাজকে ধরে রাখে হায়দরাবাদ। আইপিএলের সবশেষ আসরে ২ কোটিতে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের হয়ে খেলা যুবরাজকে এবার ১ কোটিতে দলে নিল মুম্বাই।
এছাড়া শ্রীলংকার তারকা ক্রিকেটার লাসিথ মালিঙ্গাকে ২ কোটিতে নিয়েছে মুম্বাই। আসন্ন ১২তম আইপিএলে যুবরাজ এবং মালিঙ্গাকে এত কম টাকায় কিনতে পেরে খুব খুশি মুম্বাইয়ের ফ্রঞ্চাইজি মালিকরা।
আকাশ আম্বানি বলেন, ‘যুবরাজ এবং মালিঙ্গাকে আমরা এত কম টাকায় পেয়ে যাব ভাবিনি। সত্যি কথা বলতে যুবরাজের জন্য আমাদের আরও বাজেট ছিল। এক কোটি টাকায় তাকে পেয়ে যাওয়া আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা।’
যে নিলামে যুবরাজ বিক্রি হলেন ১ কোটিতে, অথচ সেই নিলামেই চড়া দাম পেলেন জয়দেব উনাদকাট ও বরুণ চক্রবর্তীর মতো আনকোরা ক্রিকেটাররা।
আইপিএলের গত আসরেও সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হন বাঁ-হাতি পেসার উনাদকাট। তবে আগের আসরে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স করতে পারেননি উনাদ। তারপরও তাকে ৮.৪০ কোটি টাকায় দলে নিল রাজস্থান রয়েলস। এছাড়া অলরাউন্ডার বরুণ চক্রবর্তীকে ৮.৪০ কোটি টাকায় দলে নেয় কিংস ইলেভেন পঞ্জাব।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.