হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া কমাতে ধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া কমাতে ধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা।

২০২০ সালে হজযাত্রীদের বিমান ভাড়া যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তাক্ষেপ কামনা করেছে হজ এজেন্সি মালিকদের সংগঠন হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব)।  বিমানের প্রস্তাবিত ভাড়া অযৌক্তিক বলে দাবি করে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান হাবের সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম।

শাহাদাত হোসাইন তসলিম বলেন, ‘২০২০ সালে কোনোভাবেই বিমান ভাড়া বাড়ানো  যুক্তিযুক্ত হবে না। প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা হজ ব্যবস্থাপনার প্রতিটি বিষয় নিজে প্রত্যক্ষভাবে তত্ত্বাবধান করেন৷এ কারণেই বর্তমান সুশৃঙ্খল হজ ব্যবস্থাপনাকে কোনোভাবেই শৃঙ্খলার জালে জড়ানো সমীচীন হবে না৷ প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিতে আনাসহ সংশ্লিষ্ট সকবার গোচরে আনতে আজকের সংবাদ সম্মেলন।’

তিনি বলেন,  ‘গত বছরের বিমান ভাড়া ছিল এক লাখ ২৮ হাজার টাকা। এবছর আর কোনও ব্যয় বাড়েনি। বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সরকার কোনও ট্যাক্স বাড়ায়নি। জ্বালানি তেলের মূল্যও বাড়েনি। বরং গতবার জ্বালানি তেলের দাম ছিল লিটার প্রতি ৭১ সেন্ট। এবছর তেলের দাম  কমে ৫৯ সেন্ট হয়েছে।  সরকার হজ প্যাকেজের বিমান ভাড়া নির্ধারণ করে ডেডিকেটেড ফ্লাইটের জন্য। কিন্তু এয়ারলাইন্সগুলো একই ভাড়ায় রেগুলার ফ্লাইটেও হজ যাত্রী নেয়।  বছরের অন্য সময়ে সৌদি আরবের ভাড়া ৪৪ হাজার টাকা থেকে ৫৭ হাজার টাকার মধ্যে। আর আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে ৮৮ হাজার থেকে এক লাখ ১৪ হাজার টাকা। ফলে হজের ক্ষেত্রে এর চেয়ে বেশি বিমান ভাড়া হতে পারে না।’

এবার হজে যেতে যাত্রী প্রতি বিমান ভাড়া লাগবে এক লাখ ৪০ হাজার টাকা। গত ১৯ জানুয়ারি সকালে সচিবালয়ে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে ভাড়ার হার বেশি হওয়ায় তা প্রত্যাখান করেছে হাব। গত বছর হজ যাত্রীদের বিমান ভাড়া ছিলো এক লাখ ২৮ হাজার টাকা। আর ২০১৮ সালে ভাড়া ছিল এক লাখ ৩৮ হাজার ১৯১ টাকা।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.