বোয়িংয়ের পাশাপাশি এয়ারবাস চায় বাংলাদেশ, ‘মিক্সড ফ্লিট’-এর সুবিধা তুলে ধরল এয়ারবাস
ঢাকা: জাতীয় পতাকাবাহী Biman Bangladesh Airlines-এর বহরে বোয়িংয়ের পাশাপাশি ইউরোপীয় নির্মাতা Airbus-এর উড়োজাহাজ যুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে কোম্পানিটি। এ লক্ষ্যে ‘মিক্সড ফ্লিট’-এর বিভিন্ন সুবিধা নিয়ে সরকারকে ব্রিফিং দিয়েছে তারা।
মঙ্গলবার সকালে Civil Aviation and Tourism Ministry Bangladesh-এর মন্ত্রী আফরোজা খানমের সঙ্গে বৈঠক করেন এয়ারবাসের ভাইস প্রেসিডেন্ট এডওয়ার্ড ডেলাহায়ে। বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাইজার সোহেল আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
মিক্সড ফ্লিট কেন গুরুত্বপূর্ণ
এয়ারবাস জানায়, বহরে বোয়িংয়ের পাশাপাশি তাদের উড়োজাহাজ যুক্ত হলে—
* সরবরাহ ঝুঁকি কমে
* প্রতিযোগিতামূলক দামে বিমান কেনার সুযোগ বাড়ে
* অপারেশনাল নমনীয়তা বৃদ্ধি পায়
* ভিন্ন রুটে উপযোগী বিমান ব্যবহারের সুবিধা তৈরি হয়
এ সময় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বিমানের বহর আধুনিকায়নে এয়ারবাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
আগের পরিকল্পনা ও বর্তমান বাস্তবতা
এর আগে ২০২৪ সালে এয়ারবাস থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা ছিল। পরে বোর্ড ৪টি এয়ারক্রাফট কেনার অনুমোদন দেয়, যার প্রতিটির দাম ছিল প্রায় ১৮০ মিলিয়ন ডলার। এয়ারবাস প্রতিটি বিমানের জন্য ৫ মিলিয়ন ডলার নন-রিফান্ডেবল ফি প্রস্তাব করেছিল।
অন্যদিকে Boeing-এর প্রস্তাবে এ ফি ছিল মোটে ১ মিলিয়ন ডলার। তবে রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে সেই সময় চুক্তিটি স্থগিত হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে বাতিল করা হয়।
বোয়িংয়ের সঙ্গে চুক্তি
পরবর্তীতে নতুন করে প্রস্তাব দেয় উভয় কোম্পানি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক-সম্পর্কিত বিবেচনায় সরকার শেষ পর্যন্ত বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করে।
বিশ্লেষকদের মতে, ভবিষ্যতে ‘মিক্সড ফ্লিট’ কৌশল গ্রহণ করলে Biman Bangladesh Airlines আরও প্রতিযোগিতামূলক ও কার্যকর অপারেশন পরিচালনা করতে পারবে।
