বাংলাদেশি উদ্যোক্তা ঘরবন্দি সিঙ্গাপুর প্রবাসীদের রেমিটেন্স সেবা দিচ্ছে

পুরো পৃথিবীতে করোনা ভাইরাসের ঝড় বইছে। প্রবাসীদের জীবনেও এই ঝড় এর সবচেয়ে বড় একটা ধাক্কা লেগেছে। ইউরোপ থেকে মধ্যপ্রাচ্য হয়ে এই ঝড় বয়ে গেছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ সিঙ্গাপুরে থাকা প্রবাসীদের মাঝেও।

সিঙ্গাপুর সরকার প্রথম থেকেই প্রবাসীদের তাদের নাগরিকের সমান গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছে। সবচেয়ে ভালো স্বাস্থ্যসেবা পাচ্ছে সিঙ্গাপুরে থাকা প্রবাসীরাই। কভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে সিঙ্গাপুরের সরকারের নেওয়া সার্কিট ব্রেকার নিয়মানুসারে প্রবাসী শ্রমিকরা নিজেদের বাসস্থান ডর্মেই জীবন কাটাচ্ছে এখন।

নিজেদের বাসস্থান ডর্মে থাকার কারনে প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোতে সমস্যায় পড়েছে। অনেকেই ক্যাশ টাকা আর ব্যাংকে বেতন পায়। কিন্তু বাইরে যাওয়ার অনুমতি না থাকায় কেউই পরিবারকে সময়মতো টাকা পাঠাতে পারছেন না। যার দরুণ দেশে থাকা পরিবারের সদস্যরা কষ্টে দিনাতিপাত করছেন।

প্রবাসী শ্রমিকদের এই সমস্যা দূর করতে সিঙ্গাপুরের মিনিস্ট্রি অফ ম্যানপাওয়ার এবং মনেটরি অথোরিটি অফ সিঙ্গাপুর (MAS) অনুরোধ করে বাংলাদেশি উদ্যোক্তার প্রতিষ্ঠান মাইক্যাশকে।

মাইক্যাশ ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে থাকা অভিবাসীদের রেমিটেন্স সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে মালয়েশিয়াতে কাজ করছিল। মাইক্যাশ এর গ্রুপ সিইও সুমন মালয়েশিয়ায় একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে সুপরিচিত এবং গত ৫ বছর ধরে মালয়েশিয়াতে ১ লাখ ৩০ হাজার এর বেশি প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোতে সহযোগিতা করে আসছেন।

করোনা ভাইরাসের প্রেক্ষিতে মনেটরি অথোরিটি অফ সিঙ্গাপুর ( MAS) এর সহযোগিতায় মাইক্যাশ খুব অল্প সময়ের মাঝেই তার দুয়ার প্রসারিত করে সিঙ্গাপুরের প্রবাসীদের জন্য এবং মাইক্যাশ অ্যাপের মাধ্যমে রেমিট্যান্স পাঠানোর সার্ভিস চালু করে।

মাইক্যাশ অ্যাপের সাহায্যে অনলাইনে যেকোনো সিঙ্গাপুর প্রবাসী মাত্র ১০ মিনিটে দেশে বিকাশ করতে পারছেন এখন এবং দেশের যেকোনো ব্যাংক একাউন্টে রেমিট্যান্স পাঠাতে পারছেন।

প্রবাসীদের বিপদের দিনে আমরা মাইক্যাশ অ্যাপের সার্ভিস নিয়ে তাদের পাশে দাঁড়াতে চাই। আমরা আমাদের জায়গা থেকে তাদের সহযোগিতা চালিয়ে যাবো, এতে দেশে যেমন রেমিট্যান্সের প্রবাহ ঠিক থাকবে, তেমনি এই প্রবাসীদের পরিবারগুলোও দেশে অসহায়ত্ব থেকে রক্ষা পাবে।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.