সময়মতো করোনা নেগেটিভ সনদ না পাওয়া এবং যাত্রার আগ মুহূর্তে রিপোর্ট পজিটিভ আসায় অনেক বিদেশগামীর ফ্লাইট মিস হচ্ছে।
এক্ষেত্রে ভোগান্তির পাশাপাশি ভারী হচ্ছে আর্থিক ক্ষতির পাল্লা।
যাত্রীদের অভিযোগ, তাদের দায় না থাকা সত্ত্বেও একই টিকিটে আবার ভ্রমণের সুযোগ দিচ্ছে না এয়ারলাইন্সগুলো।
যাত্রীদের টিকিট রিইস্যু করা হচ্ছে দাবি করে বাংলাদেশ বিমান বলছে, অনেক যাত্রীর কোভিড পজিটিভ হওয়ার কারণে আসন ফাঁকা থাকায় লোকসান হচ্ছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, জমি বন্ধক রেখে অনেকেই টিকিট কেটেছে। নতুন করে টিকিট কাটতে হলে তারা কিভাবে যাবে।
ফ্লাইটের আগের দিন করোনার রিপোর্ট পেয়েছে করোনা পজেটিভ। ট্রাভেলস থেকে বলা হয়েছে এ টিকিটের দায়ভার তারা নিবে না।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোকাব্বির হোসেন জানান, কোভিড সার্টিফিকেটের কারণে লস বেশি হচ্ছে।
গতকাল যেখানে ২৬০ জন নিতে পারতাম সেখানে লন্ডনের ফ্লাইটে গেছে ১৬০ জন।