করোনা মহামারির প্রেক্ষাপটে শিক্ষা কার্যক্রমকে অব্যাহত রাখা এবং গতিশীলতার জন্য ২০০ কোটি টাকা বাজেট ঘোষণা করেছে পর্তুগালের সরকার। এই বাজেটের আওতায় কেবলমাত্র পাবলিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি সামাজিক সংহতি প্রতিষ্ঠান (আইপিএসএস) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে পর্তুগালের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ডে-কেয়ার সেন্টারগুলোতে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় নতুন বিধিমালা প্রেরণ করেছে এবং এর সঙ্গে কোভিড-১৯ এর জন্য ল্যাবরেটরি স্ক্রিনিং প্রোগ্রামেরও গাইডলাইন প্রেরণ করা হয়েছে।
প্রতি ১৪ দিনে একবার করে সবার টেস্ট করানো হবে এবং পরবর্তীতে ২৮ দিন পর। তবে সংক্রমণ ধরা পড়ার হিসাবের ওপর নির্ভর করে এটি ৭ দিন পরপর বা ১৪ দিন পরপর হবে তা নির্দেশিকা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
দশম, একাদশ এবং দ্বাদশ বছরের শিক্ষার্থীরা এ ল্যাবরেটরি স্ক্রিনিংয়ের আওতায় থাকবেন। প্রাথমিকে প্রথম থেকে তৃতীয় সার্কেল, প্রি স্কুল এবং ডে-কেয়ার সেন্টারের শিশুদের এই প্রোগ্রাম থেকে বাদ দেয়া হয়েছে। কেননা কিছু গবেষণায় শিশুরা কম সংক্রমণযোগ্য হিসেবে পাওয়া গিয়েছে; তবে শিশুদের মাধ্যমে সংক্রমণ যোগ্যতা এখনো পুরোপুরি জানা সম্ভব হয়নি।
লকডাউনের বিধিনিষেধ বিষয়ে ১৬ মার্চ পরবর্তী ঘোষণা দেয়া হবে। ইতোমধ্যে করোনা মহামারির জন্য গঠিত টেকনিক্যাল টিম একটি প্রস্তাবনা প্রকাশ করছে। উক্ত প্রস্তাবনা প্রধানমন্ত্রী অ্যান্তোনিও কস্তা মন্ত্রিসভায় এবং পার্লামেন্টে অনুমোদনের পর জাতির উদ্দেশে তুলে ধরবেন।