বিমানবন্দর কর্মীর কাছ থেকে ১১ সোনার বার উদ্ধার

সোনা চোরাচালানের সময় মিট অ্যান্ড গ্রিট সেবা প্রদানকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠান শুভেচ্ছার কর্মী রাজুকে (১৩) আটক করেছে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। তার কাছ থেকে পাওয়ার ব্যাংকে লুকানো ১১টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়েছে। জব্দ করা সোনার বারের মোট ওজন ১২৭৬ গ্রাম। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১ কোটি ২২ লাখ টাকা।

আজ শুক্রবারল সকালে রাজধানীর হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে তাকে সোনার বারসহ হাতেনাতে আটক করা হয়।

বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এপিবিএন এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিয়াউল হক।

এপিবিএনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, শুভেচ্ছার সিনিয়র কাস্টমার রিপ্রেজেনটেটিভ মো. রাজুর অযাচিত মুভমেন্ট এবং প্রশ্নবিদ্ধ আচরণে সন্দেহ হয় বিমানবন্দর আমর্ড পুলিশের গোয়েন্দা দলের। রাজুকে এক নম্বর লাগেজ বেল্টের কাছে টয়লেটে প্রবেশ করতে দেখা যায়। একই সাথে সেখানে যাত্রীদের সাথে কোনো কিছু বিনিময় করে বলেও সন্দেহ করা হয়। পরে অ্যারাইভাল কনকোর্স হলের প্রক্ষালন কক্ষের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। এসময় তাকে আর্মড পুলিশের অফিসে এনে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা হয়। তল্লাশি শেষে কালো রঙয়ের পাওয়ার ব্যাংকের ভেতর থেকে ১০টি এবং রাজুর পকেট থেকে ১টি সোনার বার পাওয়া যায়।

জিজ্ঞাসাবাদে রাজু জানান, দুবাই থেকে আসা যাত্রীর কাছ থেকে এসব সোনা বার নিয়েছেন তিনি। এর বিনিময়ে তাকে খুশি করে দেওয়া হবে বলে জানায় পাচারকারীরা। মোবাইলে সোনা পাচারকারী চক্রের সদস্যরা প্রথমে রাজুর সাথে যোগাযোগ করে, কাজ শেষে তাকে পাওনা বুঝিয়ে খুশি করে দেওয়া হবে বলে কথা দেয় তারা। শুভেচ্ছা কর্মী রাজু লক্ষীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ থানার মজিবুর রহমানের সন্তান। তার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে বিমানবন্দর থানায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.