সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যুক্তরাজ্য ফেরত এক দম্পতিকে হাসপাতাল কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।
এর মধ্যে ষাটোর্ধ এই দম্পতির শরীরে তাপমাত্রা বেশি থাকায় তাদেরকে শহীদ শামছুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়। অন্য যাত্রীদের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায়।
তিনি বলেন, আইসোলেশনে থাকা ব্যক্তির শরীরের প্রয়োজনীয় নমুনা (স্যাম্পল) পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। সিলেট থেকে এপর্যন্ত পাঠানো সর্বমোট তিনজনেরই করোনা নেগেটিভ এসেছে।
এদিকে, সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় হোম কোয়ারেন্টিনে যুক্ত হয়েছেন ১৩৭ জন। এর মধ্যে সিলেটে ১০ জন, সুনামগঞ্জে ৫৬ জন, হবিগঞ্জে ৫০জন এবং মৌলভীবাজারে ২১ জন। আর একই সময়ে হোম কোয়ারেন্টিন থেকে বাদ পড়েছেন ২০০ জন। হোম কোয়ারেন্টিনে থাকা ব্যক্তিদের বেশিরভাগই প্রবাসফেরত। বাকিরা তাদের পরিবার ও আত্মীয় স্বজন।
স্বাস্থ্য অধিদফতর সিলেটের বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডা. আনিসুর রহমান যুগান্তরকে জানান, সিলেট বিভাগে এখন ১ হাজার ৫৯৭ কোয়ারেন্টিন তথা সংগনিরোধ অবস্থায় আছেন। তাদের মধ্যে সিলেটে ৭৩১ জন, সুনামগঞ্জে ২২৯ জন, হবিগঞ্জে ৪৭৩ জন এবং মৌলভীবাজারে ১৬৪ জন। তাদের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, সিলেট বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় হোম কোয়ারেন্টিন থেকে ২০০ জন মুক্ত হয়েছেন। তাদের নির্দিষ্ট ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার মেয়াদ শেষ হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে তাদের শরীরে করোনাভাইরাসের উপসর্গ ধরা পড়েনি।