বৈশ্বিক মহামারী নভেল করোনাভাইরাসের প্রেক্ষাপটে ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়েছে এয়ার কানাডা। এ অবস্থায় টিকে থাকতে মোট কর্মী সংখ্যার অন্তত অর্ধেক ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কানাডিয়ান এ বিমান পরিবহন সংস্থা। এর আগে সংস্থাটি তাদের ৯৫ শতাংশ ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়। খবর এএফপি।
এয়ার কানাডা জানিয়েছে, কভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে বিশ্বজুড়ে নেয়া লকডাউনসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে বিমান পরিবহন খাত অকল্পনীয় বাস্তবতার সম্মুখীন হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে অধিকাংশ এয়ারলাইন তাদের স্বাভাবিক ফ্লাইট কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারছে না। সংস্থাগুলোর আয় নেই বললেই চলে। এ অবস্থায় এয়ার কানাডা তার ৩৮ হাজার কর্মীকে বেতন দিতে হিমশিম খাচ্ছে। তাছাড়া শিগগিরই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ারও কোনো সম্ভাবনা নেই। লকডাউন তুলে নেয়া হলেও যাত্রীদের মাঝে বিমান ভ্রমণের চাহিদা ফিরে আসতে সময় লাগবে।
এ বাস্তবতায় এয়ার কানাডা কর্মীদের কাছে পাঠানো এক ই-মেইল বার্তায় জানায়, সংস্থাটি বাধ্য হয়েই কর্মী ছাঁটাইয়ের মতো একটি পীড়াদায়ক পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে। কার্যক্রম সীমিত করে আনার পরিকল্পনা অনুযায়ী ছাঁটাই করা হবে তাদের মোট কর্মী সংখ্যার ৫০-৬০ শতাংশ। বর্তমান কর্মী সংখ্যা নিয়ে সংস্থাটি প্রতিদিন ২৫৮টি উড়োজাহাজ দিয়ে দেড় হাজার ফ্লাইট পরিচালনায় সক্ষম। কিন্তু যে অর্থনৈতিক বাস্তবতার উত্থান হয়েছে, তাতে এমন বৃহৎ পরিসরে আর কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হবে না। ফলে টিকে থাকতে ভবিষ্যতের চিন্তায় কর্মী ছাঁটাই করতেই হচ্ছে। ই-মেইলে বলা হয়, মূলত অর্থ জোগানের সুরক্ষায় এবং চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য বিধানে এয়ার কানাডা এ পদক্ষেপ নিচ্ছে।