ব্রিটিশ সরকার লকডাউন শিথিল করা, না করা নিয়ে দোটানায় মধ্যে পড়তে যাচ্ছে। লকডাউন শিথিলের ইস্যুতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ও সরকারের পরিকল্পনার মধ্যে বিস্তর দূরত্ব।
এদিকে দেশটিতে সবশেষ একদিনে মারা গেছেন আরো ২১৫ জন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৮ হাজার ৩শ’ ৭৬ জনে দাঁড়িয়েছে।
লকডাউন শিথিলের ঘোষণাতেই যেন ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়ার উপক্রম ব্রিটেনবাসীর। ভিড় জমাচ্ছেন সর্বত্রই। সমুদ্র সৈকত কিংবা পার্কগুলোতে যেন নেই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নিয়ম নীতি।
চলমান লকডাউন নিয়ে বিশেষজ্ঞদের সাথে সমন্বয় করে আগামী কয়েক সপ্তাহ খুব গভীর পর্যবেক্ষণ করবে ব্রিটিশ সরকার।
লকডাউন আরো শিথিল করায় উদ্বেগ জানিয়েছেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানীরা। একইভাবে সংক্রমণের হার আশানুরূপ না কমায় উৎকণ্ঠায় প্রবাসী বাংলাদেশিরাও।
ব্রিটিশ সরকার এরইমধ্যে মহামারির প্রভাবে চরম বিপর্যস্ত ব্রিটেনের অর্থনীতিকে সচল করতে, বড় ধরণের প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করতে যাচ্ছে।
সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার উপর গুরুত্ব দিয়ে ব্রিটিশ সরকার ধীরে ধীরে লকডাউন শিথিলের দিকে এগোচ্ছে। তবে, সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলছেন, ব্রিটেনের নাগরিকরা যদি সরকারি নির্দেশনা মানতে অবহেলা করেন তবে দ্বিতীয়বার করোনা ভাইরাসের ভয়াল থাবার মুখোমুখি হতে পারে ব্রিটেন।