রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহুতল পার্কিং এরিয়ায় গাড়ি প্রবেশ করলেই প্রতি ঘণ্টায় ১০০ টাকা পার্কিং চার্জ আদায় করে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্র্তৃপক্ষ (বেবিচক)।
অথচ পার্কিং এলাকার সর্বত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিকের বোতল, পলিথিন, চিপসের প্যাকেট, সিগারেটের পোড়া অংশ, জুসের প্যাকেট, ফলের খোসা এগুলো নজরে পড়ে না সংস্থাটির।
মাসের পর মাস এই সব আবর্জনা জমে পুরো পার্কিং ভবনটিই রূপ নিয়েছে আস্তাকুঁড়ে।
দীর্ঘদিন ধরে না দেওয়া হয় ঝাড়ু, না হয় ধোয়া-মোছার কাজ।
সেখান থেকে গাড়ির যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনাও নতুন কিছু নয়।
সার্বিক বিষয়ে বেবিচকের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমানের ভাষ্য, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশের বিষয়টি এত দিন তার নজরে আসেনি। শিগগিরই ব্যবস্থা নেবেন তিনি।
গত বুধবার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বহুতল পার্কিংয়ের নিচতলায় গাড়ি রাখেন চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার গাড়িচালক রইস উদ্দিন।
তিনি বলেন, ‘দুবাই থেকে আমার ভাই আসবেন।
তাকে নিতে বিমানবন্দরে এসেছি।
পার্কিং এরিয়ার নিচতলায় গাড়ি পার্কিং করে গাড়িতেই বিশ্রাম নেওয়ার ইচ্ছে ছিল।
কিন্তু সেখানে মশার উৎপাত ও দুর্গন্ধে টেকা যাচ্ছিল না। গাড়ি তালা দিয়ে বাইরে যেতে হয়েছে।’