ইংরেজি নববর্ষ বরণে প্রতি বছর থার্টিফার্স্ট নাইটে পর্যটন শহর কক্সবাজারে লাখো পর্যটকের সমাগম হতো।
কিন্তু এবার তেমন পর্যটক নেই।
যে কারণে এ রকম একটি বিশেষ দিনেও কক্সবাজারের সাড়ে চার শতাধিক হোটেল-মোটেল গেস্ট হাউসে অর্ধেকেরও বেশি কক্ষ ফাঁকা রয়েছে।
হোটেল মোটেল ফুল বুকিং থাকলেও আসেনি পর্যটকদল।
সম্প্রতি খাবারের দাম বেশি নেওয়া এবং পর্যটক নারীকে দলবেঁধে ধ’র্ষণ এ দুটি ঘটনায় এ রকম বিরূপ প্রভাব পড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
হোটেল মোটেল ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রতি বছর থার্টিফার্স্ট নাইট ও নববর্ষ উদযাপনে কম হলেও লক্ষাধিক পর্যটক কক্সবাজার ভ্রমণে আসেন।
কিন্তু এ বছর ভিন্ন চিত্র।
যে কারণে তারা হতাশ।
শুক্রবার বিকালে সমুদ্র সৈকত ঘুরে দেখা যায়, থার্টি ফার্স্ট নাইটে সরকারি নির্দেশনার কারণে সৈকতে উন্মুক্ত স্থানে নেই কোন আয়োজন।
তারপরও সাড়ে ৪ শতাধিক হোটেল, মোটেল, রিসোর্টে বুকিং হয়েছে প্রায় ৯০ শতাংশ। তার মধ্যে কিছু বিদেশী পর্যটকও দেখা যায়।
আর পর্যটকদের নিরাপত্তায় সার্বক্ষণিক মাঠে থাকছে ২০৮ জন টুরিস্ট পুলিশ। আগতদের পর্যটন সুবিধা নিশ্চিতের জন্য ৭ দফা বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন জেলা প্রশাসন।