‘অন্য দেশ ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো যখন বাংলাদেশের বিনিয়োগ প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছে না, তখন টাকার ঝুড়ি নিয়ে এগিয়ে এসেছে চীন।
তারা আগ্রাসী ও সাশ্রয়ী প্রস্তাব নিয়ে এগিয়ে এসেছে।
এখন বিষয় হলো—আমরা কী করব?’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন গত শনিবার রাতে মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে এ প্রশ্ন তোলেন।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ, বিশেষ করে কোয়াডের সদস্য দেশগুলোতে ‘চীনা ঋণের টোপ’ নিয়ে বিতর্ক চলছে।
সেই পরিপ্রেক্ষিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন প্রশ্নটি উত্থাপন করেন।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সম্মেলনে উপস্থিত ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রামনিয়াম জয়শঙ্কর বলেন, কোন দেশ কার কাছ থেকে বিনিয়োগ নেবে, তা ওই দেশের স্বার্থেই বিবেচনা করা উচিত।
বিশেষ করে শেষ পর্যন্ত বিনিয়োগ গ্রহণকারী দেশ কী পাচ্ছে, তা জেনেবুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়াটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।
তিন দিনব্যাপী মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন শুরু হয়েছে গত শুক্রবার। শনিবার রাতে প্যানেল আলোচনার বিষয় ছিল ‘ইন্দো-প্যাসিফিকে আঞ্চলিক ব্যবস্থা ও নিরাপত্তায় বড় পরিবর্তন’।
ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের এশিয়া-প্যাসিফিক বিষয়ক সিনিয়র ফেলো লিন কিউক অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন।
আলোচনায় অংশ নেন যুক্তরাষ্ট্র সিনেটের ইউরোপ ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা বিষয়ক সাবকমিটির চেয়ারওম্যান সিনেটর জিনি শাহিন, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রামনিয়াম জয়শঙ্কর, অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী মরিস পেইন ও জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হায়াশি ইয়োশিমাসা।
এই চার দেশ কোয়াডের সদস্য।
