সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সোনা চোরাকারবারিদের রুটে পরিণত হয়েছে।
৮ বছরে ১১৩ কেজি সোনা আটক করা হলেও থামছে না চোরাচালান। আন্তর্জাতিক এ বিমানবন্দর চোরাচালানের ঝুঁকিতে থাকলেও প্রতিরোধের চেষ্টা করছে কাস্টমস বিভাগ।
জুসার মেশিন, চিকিৎসাসেবার যন্ত্র নেব্যুলাইজারসহ নানা জিনিসপত্রের ভেতরে করে নতুন নতুন কৌশল অবলম্বন করে চোরাকারবারিরা দেশে আনছে সোনা।
গত ৮ বছরে ওসমানী বিমানবন্দরে ১০০ কেজির বেশি সোনা আটক করেছে কাস্টমস বিভাগ।
সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাস্টমস উপ-কমিশনার মো. আল-আমিন বলেন, কাস্টমস তাদের গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক কিংবা স্ক্যানিং দক্ষতা বা ব্যক্তিগত সক্ষমতা দিয়ে চোরাচালানকারীদের শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে।
ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কাস্টমস উপ-কমিশনার মো. আল-আমিন আরও বলেন, অবৈধভাবে আনা পণ্যসহ চোরাচালানীদের আটকের পর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
এয়ারপোর্ট থানায় মামলা দায়েরের পর তার দায়িত্ব চলে যায় পুলিশের হাতে।
এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খান মুহাম্মদ মাইনুল জাকির বলেন, এখন পর্যন্ত সোনা চোরাচালানের গডফাদারদের কেউ ধরা পড়েনি।
মামলা তদন্তকালে আসামি স্বীকারোক্তি দিয়ে বলে সে নিজেই চালানটি নিয়ে এসেছে।
২০১৪ সাল থেকে গত ২ জুন পর্যন্ত ওসমানী বিমানবন্দরে বিমান থেকে প্রায় ১১৩ কেজি সোনা উদ্ধার করেছে কাস্টমস। যার বর্তমান বাজার মূল্য ৭৭ কোটি টাকার বেশি।