Air India কি কমাচ্ছে ঘরোয়া উড়ানের ভাড়া?

২০২০ সালে অতিমারির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল বিমান পরিষেবা। সেই সঙ্গে গত কয়েক মাসে জ্বালানির দাম বেড়েছিল। সে সময় সরকার বিমান ভাড়ার ঊর্ধ্ব ও নিম্নসীমা বেঁধে দিয়েছিল। সম্প্রতি বেসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের বিবৃতি প্রকাশ করে সেই ঊর্ধ্বসীমা তুলে নিয়েছে।

বিমান যাত্রীদের জন্য সুখবর! দেশীয় বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) দেশের ভিতর যাত্রী পরিবহণের জন্য আরও ২৪টি অতিরিক্ত উড়ান চালু করার কথা ঘোষণা করেছে। এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে যে তারা আগামী ২০ অগস্ট থেকে এই অতিরিক্ত উড়ান পরিষেবা শুরু করবে।

শুধু তা-ই নয়। এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানের তালিকায় আরও ১৬টি বিমান যোগ হতে চলেছে আগামী বছর। ৭০টি যাত্রীবাহী বিমানের মধ্যে Air India বর্তমানে মাত্র ৫৪টি বিমান চালনা করে থাকে। সংস্থার তরফে জানান হয়েছে, পুরনো বিমানগুলিকে আবার পরিষেবায় ফিরিয়ে আনতে কোম্পানি গত ৬ মাস ধরে তার পার্টনারদের সঙ্গে নিবিড় ভাবে কাজ করে চলেছে।

এয়ার ইন্ডিয়া জানিয়েছে যে, এর মধ্যে দিল্লি থেকে মুম্বাই (Delhi-Mumbai), বেঙ্গালুরু ও আহমেদাবাদ (Bengaluru-Ahmedabad) এবং মুম্বাই থেকে চেন্নাই (Mumai-Channai) এবং হায়দ্রাবাদ (Mumbai-Haydarabad)। এ ছাড়াও মুম্বাই-বেঙ্গালুরু (Mumbai-Bengaluru) এবং আহমেদাবাদ-পুনে (Ahmedabad-Pune) রুটেও দু’টি করে নতুন উড়ান শুরু হবে।

আগামী বছর আরও ১৬টি বিমান পরিষেবায় আসবে। এয়ার ইন্ডিয়ার ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ক্যাম্পবেল উইলসন (Campbell Wilson) বলেছেন যে, ‘আমরা গত ৬ মাস ধরে বিভিন্ন পুরনো বিমানগুলিকে পরিষেবায় ফিরিয়ে আনার জন্য কাজ করছি। আমরা আমাদের পার্টনারদের সঙ্গে কাজ করে আনন্দিত। আমাদের এই প্রচেষ্টা আরও ভাল ফলাফল দেবে বলেই মনে হচ্ছে।’

২০২০ সালে কোভিড-১৯ অতিমারির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল বিমান পরিষেবা। সেই সঙ্গে গত কয়েক মাসে জ্বালানির দাম বেড়েছিল। সে সময় সরকার বিমান ভাড়ার ঊর্ধ্ব ও নিম্নসীমা বেঁধে দিয়েছিল। সম্প্রতি বেসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের বিবৃতি প্রকাশ করে সেই ঊর্ধ্বসীমা তুলে নিয়েছে।

বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের এই সিদ্ধান্তের পরে, এয়ার ইন্ডিয়া (Air India), ভিস্তারা (Vistara), স্পাইসজেট (SpiceJet), ইন্ডিগো (IndiGo) এবং গোফার্স্টের (GoFirst) মতো বিমান সংস্থাগুলি তাদের টিকিটের দাম বাড়াতে পারবে বলেই ধারণা করা হয়েছিল। তার একদিন পরেই এয়ার ইন্ডিয়া এই অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে ভাড়ার পরিমাণ তুলনামূলক ভাবে কম হতে পারে।

করোনার সময় এয়ারলাইন্সের টিকিটের দামের মূল্য বৃদ্ধির স্বেচ্ছাচারিতা ঠেকাতে সরকার টিকিটের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন ভাড়া নির্ধারণ করে দিয়েছিল। এ কারণে এয়ারলাইন কোম্পানিগুলো একটি নির্দিষ্ট রুটে টিকিটের দাম নির্দিষ্ট ঊর্ধ্ব ও নিম্ন সীমার বেশি ধার্য করতে পারেনি।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.