পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজের (পিএমএলএন) ভাইস প্রেসিডেন্ট মরিয়ম নওয়াজের পাসপোর্ট তাকে ফেরত দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে লাহোর হাইকোর্ট (এলএইচসি)। একে পিএমএলএনের জন্য বড় এক আইনি বিজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে। দুর্নীতির মামলার রেফারেন্সে ২০১৯ সালে এই পাসপোর্ট সারেন্ডার করেছিলেন তিনি।
পিএমএলএন নেতা লাহোর হাইকোর্টে দুর্নীতি বিরোধী সংস্থার বিরুদ্ধে আবেদন করেন। তাতে বলা হয়, মরিয়ম নওয়াজের বিরুদ্ধে কোনো চার্জশিট বা কোনো বিচার কার্যক্রমের তথ্য নেই। কিন্তু পাসপোর্ট ছাড়া তিনি প্রায় চার বছর ধরে মৌলিক অধিকার চর্চা করতে পারছেন না।
মরিয়ম আবেদনে বলেছেন, তার জরুরিভিত্তিতে বিদেশ সফরে যাওয়া প্রয়োজন। তার পিতা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ খুব অসুস্থ। তাকে দেখতে যেতে চান তিনি। এ জন্য ন্যায়বিচারের স্বার্থে ডেপুটি রেজিস্ট্রার (জুডিশিয়াল)কে যেন তার পাসপোর্ট ফেরত দিতে নির্দেশ দেন আদালত আবেদনে সেই কথা উল্লেখ করেন মরিয়ম।
এ খবর দিয়েছে অনলাইন জি-নিউজ। চৌধুরী সুগার মিলস মামলায় গ্রেপ্তার করার পর মরিয়ম আদালতের কাছে পাসপোর্ট সমর্পণ করেন। এরপরই তিনি জামিন পান।
সোমবার এই মামলার শুনানি করে লাহোর হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ আমির ভাট্টির সমন্বয়ে গঠিত তিন সদস্যের বেঞ্চ। এর আগের শুনানিতে দুর্নীতি বিরোধী সংস্থা এনএবি আদালতকে জানায়, মরিয়ম নওয়াজের æপাসপোর্ট তাদের আর প্রয়োজন নেই। ফলে তার পাসপোর্ট ফেরত দেয়ার পথ পরিষ্কার হয়ে যায়।
ওদিকে পিএমএলএন নেতা মরিয়ম নিশ্চিত করেছেন যে, তিনি পাসপোর্ট বুঝে পেয়েছেন। প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেছেন, এখন পর্যন্ত যে মামলা করা হয়নি, তাতে তদন্তের জন্য আমাকে তিন মাস কোট লাখপাত জেলের ‘ডেথ সেলে’ আটকে রাখা হয়েছিল। আমার সমাবেশ দেখে আতঙ্কিত হয়ে ‘ফিতনা’বাজরা আমাকে ওই জেলে আটকে রেখেছিল। এখন আমি পাসপোর্ট ফিরে পেয়েছি।