তোশাখানা মামলায় পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রধান ইমরান খানের বিরুদ্ধে নেওয়া পাকিস্তান নির্বাচন কমিশনের (ইসিপি) সিদ্ধান্ত স্থগিতের আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন ইসলামাবাদ হাইকোর্ট। এ সংক্রান্ত মামলার শুনানি শেষে সিদ্ধান্তটি নেয় হাইকোর্ট।
সোমবার ইমরানকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয় ইসলামাবাদ হাইকোর্টে। শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি আতহার মিনাল্লাহ মামলার আবেদন খারিজ করে দেন।
তোশাখানা কাণ্ডে ইমরান খান যে ধরনের কৌশল অবলম্বন করেছেন তা দুর্নীতিগ্রস্ত বলে অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া তোশাখানার উপহার বিক্রির তথ্য গোপন করে মিথ্যা ও ভুল বিবৃতি দেন তিনি। যে কারণে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণা করে ইসিপি।
ইসলামাবাদ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি আতহার মিনাল্লাহ পিটিআই চেয়ারম্যানকে আগামী তিন দিনের মধ্যে আবেদনে উল্লেখ করা তথ্য পরিষ্কার করার নির্দেশও দেন।
খবরে বলা হয়েছে, আদালতে ইমরান খানের পক্ষে শুনানিতে অংশ নিয়েছিলেন ব্যারিস্টার আলী জাফর। তিনি বলেন, আবেদনের সঙ্গে বায়োমেট্রিক যাচাই ও ইসিপির সিদ্ধান্তের সত্যায়িত অনুলিপি না থানায় আপত্তি ওঠে। তিনি আদালতকে জানিয়েছেন, ইসিপির আদেশের মাত্র দুটি পৃষ্ঠা তাদের কাছে পৌঁছয়। এ সময় মামলা নিয়ে এত তাড়াহুড়া কেন করা হচ্ছে, জানতে চান আদালত।
জবাবে ইমরান খান একটি আসনের উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চান বলে জানান আলী জাফর। এ সময় বিচারপতি আতহার মিনাল্লাহ জানান, আগামী তিনদিনের মধ্যে ইমরান খানের আইনজীবী সত্যায়িত অনুলিপি পাবেন বলে তিনি আশা করে। এরপরই ইসিপির আদেশ স্থগিতের জন্য ইমরানের করা আবেদন খারিজ করেন তিনি।