দেশে আমাদের যেসব প্রোডাক্ট আছে বিশ্বের পর্যটকরা আকর্ষণ বোধ করবে। আমাদের সমুদ্র সৈকত, ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন আছে বলে মন্তব্য করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।
এর বাইরেও বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে আমাদের যেসব প্রোটেনশিয়াল আছে, মানুষের কাছে তুলে ধরতে পারলে ট্যুরিজমের ক্ষেত্রে পৃথিবীর অন্যতম ডেস্টিনেশন হবে বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁও বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র আন্তর্জাতিক ট্যুরিজম এক্সপো উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, টেমস নদীর পাড়ে মানুষ ঘুরতে যায়। সেই নদীতেও গন্ধ ছিল। তারা যে পর্যায়ে গিয়েছে আমরাও একটা সময় সেই পর্যায়ে যাব।
পর্যটন ক্ষেত্রে শুধুই কি আশার বাণী শুনে যাবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,পর্যটন ক্ষেত্রে কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। আমরা এ বিষয়ে অবগত। সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে সামনের দিকে অগ্রসর হতে হবে। দেশের বিদেশি ট্যুরিস্ট অবশ্যই আসবে সেই পরিবেশটি তুলে ধরতে হবে।
বিদেশি পর্যটক চাহিদার কথা উল্লেখ করে মাহবুব আলী বলেন, বিদেশি পর্যটকদের চাহিদা কি কি বিষয় তা খুঁজে বের করতে হবে। তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী চাহিদা মেটাতে হবে। হয়তোবা তাদের প্রয়োজনের অভাবে এদিকে আসছে না। অতীতে বিদেশি ট্যুরিস্ট এ দেশে এসেছে ভবিষ্যতেও আসবে।
পর্যটন শিল্পের মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়ন হতে ৩-৪ বছর সময় লেগে যাচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নে ৩-৪ বছর সময় লাগেনি। ২০১৯ সালে মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়নের কার্যাদেশ প্রদান করি। পরবর্তীতে কাজ শুরু হলেও ২-৩ মাস পর করোনার সংক্রমণ শুরু হয়। এখন চূড়ান্ত পর্যায় চলে এসেছে। চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই মাস্টার প্ল্যান সাবমিট করা হবে।
