৪৫ বছরে ১ কোটি ৯১ লাখ যাত্রী পরিবহন বিমানের

biman-bangladesh-airlines-file-photo_15667_1465492517_32464_1480509215_35855_1483621731বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স গত ৪৫ বছরে ১ কোটি ৯১ লাখ যাত্রী পরিবহন করেছে। ১৯৭২ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত এই যাত্রী পরিবহন করে। সবচেয়ে বেশি যাত্রী পরিবহন করেছে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে। এই সময়ে বিমানে বহনকারী যাত্রীর সংখ্যা ২৩ লাখ ১৬ হাজার ৭২৯ জন। ১৯৭২ সালে যাত্রী পরিবহন শুরু করে এই এয়ারলাইন্স প্রথম অর্থবছরে যাত্রী পরিবহন করে ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৭২ জন। এরপর ৭৩-৭৪ অর্থবছরে বহন করে ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৮৩১ জন। ১৯৭৪-৭৫ অর্থবছরে ৪ লাখ ৪২ হাজার ৮৪৫ জন, ১৯৭৫-৭৬ সালে ৪ লাখ ৫৮ হাজার ২৯২ জন, ১৯৭৬-৭৭ সালে ৪ লাখ ৮২ হাজার ৮৬৭ জন।
ধীরে ধীরে যাত্রীসংখ্যা বাড়তে থাকে। ১৯৭৩ সালে বিমানবহরে যুক্ত করা হয় বোয়িং ৭০৭ উড়োজাহাজ। এরপর ১৯৮১ সালে বহরে যুক্ত হয় এফ-২৮ এয়ারক্রাফট। এসব উড়োজাহাজ দিয়ে ১৯৭৭-৭৮ সালে ৫ লাখ ১১ হাজার ৮১২ জন। ১৯৭৮-৭৯ সালে ৫ লাখ ৮১ হাজার ৪৩ জন। ১৯৭৯-৮০ সালে ৬ লাখ ৪০ হাজার ৭৭৪ জন। ১৯৮০-৮১ অর্থবছরে ৬ লাখ ৩৮৯ জন। ১৯৮১-৮২ সালে ৬ লাখ ২১ হাজার ৪১৫ জন ও ১৯৮২-৮৩ সালে ৬ লাখ ১৭ হাজার ৪২৪ জন যাত্রী পরিবহন করে।
১৯৮৩ সালে বিমানবহরে যুক্ত হয় ২টি ডিসি-১০ উড়োজাহাজ। এর ফলে ১৯৮৩-৮৪ সালে যাত্রীসংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৭ লাখ ২২ হাজার ৯৫ জন। ১৯৮৪-৮৫ সালে ৭ লাখ ৬৫ হাজার ১৬ জন। ১৯৮৫-৮৬ সালে ৮ লাখ ৭৩ হাজার ৪৭০ জন। ১৯৮৬-৮৭ সালে ৮ লাখ ৬৪ হাজার ৯৪৩ জন। ১৯৮৭-৮৮ সালে ৯ লাখ ৪২ হাজার ৮৭৫ জন। ১৯৮৮-৮৯ অর্থবছরে ১০ লাখ ৪৬ হাজার ৫২৭ জন যাত্রী পরিবহন করে।
১৯৯০ সালে বিমানবহরে যুক্ত হয় একটি এটিপি উড়োজাহাজ। ফলে ১৯৯০ সাল থেকে যাত্রী পরিবহন আরও বেড়ে যায়। ১৯৮৯-৯০ সালে ১০ লাখ ৮ হাজার ১২২ জন। ১৯৯০-৯১ সালে ৯ লাখ ৭৫ হাজার ৬৩১ জন। ১৯৯১-৯২ সালে ১০ লাখ ৯৬ হাজার ৭৩৬ জন। ১৯৯২-৯৩ সালে ১০ লাখ ৮৪ হাজার ৯৯১ জন। ১৯৯৩-৯৪ সালে ১১ লাখ ৫৭ হাজার ৫০ জন। ১৯৯৪-৯৫ সালে ১২ লাখ ৫৬ হাজার ৫৭ জন। ১৯৯৫-৯৬ সালে ১২ লাখ ৬০ হাজার ২৯৪ জন। ১৯৯৬-৯৭ সালে ১৩ লাখ ৫২ হাজার ৩৬৬ জন। ১৯৯৭-৯৮ সালে ১২ লাখ ৬৪ হাজার ৭৯৮ জন। ১৯৯৮-৯৯ অর্থবছরে ১২ লাখ ৩২ হাজার ৯২৩ জন যাত্রী পরিবহন করে।
১৯৯৯ সালের দিকে বিমানবহরে যুক্ত হয় দুটি এয়ারবাস। এ কারণে ওই বছর থেকে যাত্রী পরিবহন ধীরে ধীরে আরও বাড়ে। ১৯৯৯-২০০০ অর্থবছরে যাত্রী বেড়ে দাঁড়ায় ১২ লাখ ৮১ হাজার ৬৯০ জন। ২০০০-০১ অর্থবছরে ১৪ লাখ ২৩ হাজার ৩৯৬ জন। ২০০১-০২ অর্থবছরে ১৫ লাখ ৩ হাজার ৪৪৬ জন। ২০০২-০৩ অর্থবছরে ১৪ লাখ ২৪ হাজার ৮৮২ জন। ২০০৩-০৪ অর্থবছরে ১৫ লাখ ৪৩ হাজার ৪৯১ জন। ২০০৪-০৫ অর্থবছরে ১৫ লাখ ৩৭ হাজার ৪২১ জন। ২০০৫-০৬ অর্থবছরে ১৩ লাখ ৯৮ হাজার ৫৫৬ জন। ২০০৬-০৭ অর্থবছরে ১২ লাখ ৮৯৫ জন। আর ২০০৭-০৮ অর্থবছরে ১২ লাখ ৮১ হাজার ৭২ জন যাত্রী বহন করে বিমান।
২০০৯ সালে বিমানবহরে যুক্ত হয় বোয়িং কোম্পানির অত্যাধুনিক এয়ারক্রাফট বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর। প্রথম বছরে আসে একটি। এরপর ২০১৬ সাল পর্যন্ত আরও তিনটি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ও দুটি বোয়িং ৭৭৭-২০০ ইআর উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত হয়। এ কারণে ২০০৮-০৯ অর্থবছরে বিমান যাত্রী পরিবহন করে ১৩ লাখ ৯৭ হাজার ৬৬৭ জন। ২০০৯-১০ অর্থবছরে ১৪ লাখ ২৫ হাজার ২০৫ জন। ২০১১-১২ অর্থবছরে ১৬ লাখ ২ হাজার ১ জন। ২০১১-১২ অর্থবছরে ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৯২২ জন। ২০১২-১৩ অর্থবছরে ১৫ লাখ ৭৮ হাজার ১৮৮ জন। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ১৫ লাখ ৮৭ হাজার ৪৫৬ জন। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ২০ লাখ ৬৪ হাজার ৭৪৭ জন। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ২৩ লাখ ১৬ হাজার ৭২৯ জন যাত্রী পরিবহন করে। বিমান সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বিমানের বহরে ১২টি উড়োজাহাজ রয়েছে। ১৯৯২ সালে এফ-২৭ এয়ারক্রাফট দিয়ে বিমান যাত্রী পরিবহন শুরু করে। বর্তমানে বিমানের বহরে ৪টি অত্যাধুনিক বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর উড়োজাহাজ রয়েছে। এ ছাড়া ৪টি বোয়িং ৭৭৭-২০০, ২টি বোয়িং ৭৩৭ ও ২টি ড্যাস৮ উড়োজাহাজ রয়েছে। ২০১৮ সালের মধ্যে আরও ৩টি ড্যাস৮ ও ২টি ড্রামলাইনার উড়োজাহাজ বিমানবহরে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ইতিমধ্যে বিমানবহর থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে জ্বালানি খাদক ডিসি-১০ উড়োজাহাজ ও ২টি এয়ারবাস।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.