প্রতিকূলতার মাঝেও এগিয়ে যাচ্ছে দেশের দুগ্ধশিল্প খাত

প্রতিকূলতার মাঝেও এগিয়ে যাচ্ছে দেশের দুগ্ধশিল্প খাত।

দেশে দুধের উৎপাদন বাড়ানো ও এই খাতকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে সমন্বিত পদক্ষেপের ওপর তাগিদ দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। শনিবার সন্ধ্যায় সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রাণ ডেইরি কমপ্লেক্সে আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তরা এ তাগিদ দেন। সংশ্লিষ্ট সবাইকে সম্পৃক্ত করে বাস্তবমুখী পদক্ষেপের মাধ্যমেই এই খাতকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা সম্ভব বলেও তাঁরা মতামত দেন।

‘প্রাণ ডেইরি হাব ও সম্ভাবনাময় দুগ্ধ শিল্প’ বিষয়ে এক গোলটেবিল আলোচনার আয়োজন করে প্রাণ ডেইরি। দেশের বিভিন্ন স্থানের ভোক্তাদের প্রাণ দুধ সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রম দেখাতে আয়োজন করা হয় দুই দিনব্যাপী ‘প্রাণ মিল্ক জার্নি’ কর্মসূচি। এ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ৬০ জন ভোক্তার পাশাপাশি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তারা, খামারি, এনজিওকর্মীরা গোলটেবিল বৈঠকে অংশ নেন। অভিনেত্রী বাঁধন, স্বাগতা এবং অভিনেতা ইমন এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে প্রাণ ডেইরির দুগ্ধ সংগ্রহ প্রক্রিয়া দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. হীরেশ রঞ্জন ভৌমিক বলেন, ‘শত প্রতিকূলতার মাঝেও দেশের দুগ্ধশিল্প খাত এগিয়ে যাচ্ছে। যেখানে ২০০৫ সালে দুধের উৎপাদন ছিল ১২ লাখ টন, সেখানে ২০১৮ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে ৯৪ লাখ টনে দাঁড়িয়েছে।’

দুধের দাম না বাড়িয়ে উৎপাদন খরচ কমানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি আরো বলেন, ‘এ লক্ষ্যে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে যাতে কৃষকরা কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।’ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. নাথুরাম সরকার বলেন, দুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে খামারি পর্যায়ে নজর দিতে হবে।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.