আগামী ১৬ মে পর্যন্ত বাংলাদেশের বিমানবন্দরগুলোতে সব ধরনের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল বাতিল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। তবে এই সময়ের আগেই দেশি এয়ারলাইন্সগুলো বিভিন্ন রুটে নিজেদের ফ্লাইট চলাচল সীমিত ও বাতিল করেছিল।
বাংলাদেশের চারটি বিমানসংস্থার মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আগে থেকেই ১৫ মে পর্যন্ত সব ধরনের ফ্লাইট বন্ধ রেখেছিল। পরে যখন বেবিচক ফ্লাইট চলাচলের নিষেধাজ্ঞা ১৬ মে পর্যন্ত বর্ধিত করে তখন বাংলাদেশ বিমানও তাদের ফ্লাইট ১৬ মে পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করে। তবে বিভিন্ন দেশে আটকেপড়া যাত্রীদের আনা-নেয়ার জন্য বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা, সবজি রফতানিসহ বিমানের কার্গো ফ্লাইটগুলো এখনও চালু রয়েছে।
বর্তমানে বাংলাদেশের বিমানসংস্থা একমাত্র ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সই আন্তর্জাতিক রুটে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। তারা চীনের গুয়াঞ্জুতে সপ্তাহে একটি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ব্যাংকক ছাড়া তাদের অন্যান্য রুটের ফ্লাইট সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ১৬ মে পর্যন্ত স্থগিত রয়েছে। শুধু ব্যাংককের ফ্লাইটগুলো ৩১ মে পর্যন্ত স্থগিত করেছে তারা। তবে চেন্নাইসহ ভারতে আটকেপড়া বাংলাদেশিদের আনতে বেশ কয়েকটি বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করছে তারা।
বেবিচকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিমানসংস্থা নভোএয়ার ১৬ মে পর্যন্ত সব ধরনের ফ্লাইট চলাচল বন্ধ রেখেছে। ২০ মার্চ থেকে রিজেন্ট এয়ারওয়েজ তিন মাসের জন্য ফ্লাইট চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে। তাদের ঘোষিত সময় অনুযায়ী আগামী ২০ জুন তাদের ফ্লাইট চালু করার কথা রয়েছে।
