করোনাভাইরাসের কারণে আরোপিত বিধিনিষেধ শিথিল করা হলে অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা ২০ শতাংশ বাড়াবে এয়ার নিউজিল্যান্ড লিমিটেড। তবে সামাজিক দূরত্বের বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি ফ্লাইটে পূর্ণসক্ষমতার কম যাত্রী বহন করবে তারা। এজন্য যাত্রীদের বেশি ভাড়া গুনতে হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর রয়টার্স।
করোনাসংক্রান্ত সতর্কতা সংকেত ৩ নম্বর থেকে ২ নম্বরে নামিয়ে আনা হবে কিনা, সে বিষয়ে সোমবার সিদ্ধান্ত নেবে নিউজিল্যান্ড সরকার। সতর্কতা সংকেত ২ নম্বরে নামিয়ে আনা হলে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট পরিচালনার সুযোগ পাবে আকাশসেবা সংস্থাগুলো।
এয়ার নিউজিল্যান্ড বলেছে, সতর্কতার মাত্রা কমানো হলে তারা বেশির ভাগ অভ্যন্তরীণ গন্তব্যেই ফ্লাইট পরিচালনা করবে। তবে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতের বাধ্যবাধকতার কারণে তাদের টার্বোপ্রপ ইঞ্জিনবিশিষ্ট উড়োজাহাজে ৫০ শতাংশ ও এয়ারবাস এ৩২০ সিরিজের উড়োজাহাজে ৬৫ শতাংশের কম যাত্রী পরিবহন করতে হবে। এ কারণে তারা টিকিটের মূল্য কমাতে পারবে না বলে জানিয়েছে।
কোম্পানিটির প্রধান নির্বাহী গ্রেগ ফোরান বলেছেন, ‘পরিচালন ব্যয় নির্বাহের জন্য আমরা যাত্রীদের সর্বনিম্ন ভাড়ার সেবাটি এ মুহূর্তে দিতে পারব না। সামাজিক দূরত্বের বাধ্যবাধকতা প্রত্যাহারের পর আমরা ভাড়া কমাতে পারব বলে আশা করছি।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা যদি ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত থেকেও বেরিয়ে আসতে পারি, তবু অভ্যন্তরীণ রুটে কিছুদিন ফ্লাইট সংখ্যা কম থাকবে। আন্তর্জাতিক সীমান্ত বন্ধ থাকা ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে এমনটা হবে। নিউজিল্যান্ডের বেশির ভাগ মানুষ এখন কর্মহীন। তারা প্রয়োজন বুঝে খরচ করছে। আর এটাই এখনকার কঠিন বাস্তবতা।’