বাহাত্তর ঘণ্টার মধ্যে করোনা টেস্ট সনদ সংগ্রহ করতে যাত্রীদের শুধু ভোগান্তি নয় ফ্লাইট মিস করার মতো কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হচ্ছে।
এমনিতেই ঘরে ফেরা প্রবাসীদের আর্থিক দুরবস্থা, তার ওপর যোগ হয়েছে নগদ টাকায় রিপোর্ট সংগ্রহ ও ফ্লাইট মিসের দুর্ভাগ্য।
সরকার নির্ধারিত ফি দিয়ে দেশব্যাপী ১৬টি কেন্দ্রে গিয়ে করোনা সনদ সংগ্রহে যাত্রীদের অভিযোগের অন্ত নেই।
বিদেশ থেকে আসার সময় করোনাভাইরাস পরীক্ষার সনদ না লাগলেও বাংলাদেশ ত্যাগ করতে এই সনদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
যদিও সংযুক্ত আরব আমিরাত ছাড়া বিশ্বের অনেক দেশই তাদের দেশে ঢুকতে এ সনদ বাধ্যতামূলক করেনি।
কোন ধরনের পরিকল্পনা ও আলোচনা ছাড়াই হঠাৎ এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ যাত্রীদের।
ঢাকাসহ সারাদেশের ১৬টি সরকারী হাসপাতালে নমুনা সংগ্রহ ও রিপোর্ট প্রদান করা হলেও ভোগান্তির শিকার বেশি হতে হচ্ছে চট্টগ্রাম ও সিলেট এলাকায়।
রাজধানীতে সেনাবাহিনী পরিচালিত মহাখালী ডিএনসিসি মার্কেটের কেন্দ্রে মোটামুটি স্বাভাবিক গতিতে এ সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হলেও বাইরের কেন্দ্রগুলোর অবস্থা তেমন সুখকর নয়।
স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে অবশ্য বলা হচ্ছে, হেলথ টেকনোলজিস্টদের ধর্মঘটে চলতি সপ্তাহে কয়েকটি কেন্দ্রে কিছুটা জটিলতা দেখা দিয়েছে।
তবে এজন্য ফ্লাইট মিসের কোন অভিযোগ বা তথ্য তাদের জানা নেই।
আরও খবর