অবশেষে বিমানের কেবিন ক্রু সিডিউলিং বিভাগ ফ্লাইট অপারেশন শাখা থেকে স্থানান্তর করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এই বিভাগটিকে স্থানান্তরের জন্য কেবিন ক্রু‘রা নানাভাবে চেষ্টা তদবির করে আসছিলেন। অবশেষে বিমানের নতুন চেয়ারম্যান এয়ার মার্শাল এনামুল বারীর নির্দেশে বিমান ম্যানেজমেন্ট সোমবার এই আদেশ দেয়। সেমাবার থেকে এই আদেশ কার্যকর হয়েছে।
২০১৩ সালের ৬ মে বিমানের ফ্লাইট অপারেশন বিভাগের অণুরোধে বিমান ম্যানেজমেন্ট কেবিন ক্রু সিডিউলিং বিভাগকে ফ্লাইট অপারেশনস্থ সিডিউলিং এন্ড প্ল্যানিং বিভাগের আন্ডারে আনে। অভিযোগ আছে কেবিন ক্রু বিভাগটি ফ্লাইট অপারেশন বিভাগের আওতায় আসার পর থেকে বিমানের কতিপয় পাইলট ও ফাস্ট অফিসার নানাভাবে কেবিন ক্রুদের উপর মানষিক ও শাররিক নির্যাতন চালাতে শুরু করেন। বিমানের অধিকাংশ কেবিন ক্রু দৈনিক ভিত্তিক নিয়োগকৃত। একারণে সিডিউলিং বিভাগ যদি কোন নারী কেবিন ক্রু তাদের কথা না শুনতো তাহলে তাদের নিয়োগ নবায়ন করতো না। তাদের ভাল স্টেশনে ফ্লাইট দিতো না। সিডিউলিং বিভাগ নিজদের হাতে থাকায় কতিপয় অসাদু পাইলট ও ফাস্ট অফিসার তাদের পছন্দের কেবিন ক্রুদের নিয়ে ফ্লাইটে
যেতেন। এতে অসংখ্য নারী ক্রু ভাল স্টেশনে ফ্লাইট পেতেন না।
শুধু তাই নয়, এই কারণে সিডিউলিং বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত দুনীতিবাজ পাইলট ও ফাস্ট অফিসাররা এসব ক্রুদের দিয়ে সোনা চোরাচালান ও বৈদেশিক মুদ্র পাচারের কাজেও নিয়োজিত করতে বাধ্য করতেন। কোন ক্রু তাদের কথা না শুনতে তাদের নানাভাবে লাঞ্ছিত করা হতো। রোববার ‘বিমানে বৃদ্ধি পেয়েছে সোনা চোরাচালান ও মুদ্র পাচার’ শিরোনামে এ সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়। এরপরই এনিয়ে টনক নড়ে বিমান কতৃপক্ষের। নতুন এই আদশকে স্বগত জানিয়ে বিমান ম্যাজেমেন্ট ও বোর্ডকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিবিএফএসএিিসসি‘র সভাপতি আক্তারুজ্জামান ও সাধঅরণ সম্পাদক দস্তগীর।
আরও খবর