যেসব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অ্যান্টিজেন টেস্ট করা যাবে

দেশের ৭৮টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে করোনার র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের অনুমতি দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। রবিবার (১৮ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাসপাতাল শাখার পরিচালক ডা. ফরিদ হোসেন মিয়ার সই করা চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত শর্তাবলি প্রতিপালন সাপেক্ষে কোভিভ-১৯ রোগ নির্ণয়ে ‘অ্যান্টিজেন টেস্ট’ করার জন্য অনুমোদন প্রদান করা হলো।

অনুমোদন দেওয়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে—ঢাকার মিরপুরের ১ ও ২ নম্বরের ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট, গ্রিন লাইফ হাসপাতাল লিমিটেড, গুলশানের থাইরোকেয়ার বাংলাদেশ লিমিটেড, মোহাম্মদপুরের থাইরোয়েড কেয়ার অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, মিরপুরের ডেলটা হাসপাতাল লিমিটেড, মুগদার সান ডায়াগনস্টিক, ইউনাইটেড হসপিটাল লিমিটেড, ধানমন্ডির ফারাবী জেনারেল হাসপাতাল লি., গ্রিন রোডের সিআরএল ডায়াগনস্টিক সেন্টার (ইউনিট-২), পরীবাগের নোভাস ক্লিনিক্যাল রিসার্স সার্ভিস লিমিটেড।

আরও আছে, সিলেটের ওয়েসিস হসপিটাল, সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হসপিটাল, কাফরুলের হাইটেক মাল্টিকেয়ার হসপিটাল লি., চট্টগ্রামের শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরি (প্রা.) লি., মোহাম্মদপুরের আল-মানারাত হাসপাতাল, মোহাম্মদপুরের ভিক্টোরিয়া হেলথ কেয়ার, ডিএমএফআর মল্যিকুলার ল্যাব অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক বিডি লিমিটেড, প্রাভা হেলথ অ্যান্ড বাংলাদেশ লি., বায়োমেড ডায়াগনস্টিকস, উত্তরার জাহান আরা ক্লিনিক লিমিটেড, পুরানা পল্টনের আল-জামি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আজগর আলী হসপিটাল, মালিবাগের প্রাইম ডায়াগনস্টিক লিমিটেড, মিরপুরের ইব্রাহিম জেনারেল হাসপাতাল, গাজীপুরের ডা. ফরিদা হক মেমোরিয়াল ইব্রাহিম জেনারেল হসপিটাল, ওয়ারীর শহীদ খালেক ইব্রাহিম জেনারেল হসপিটাল, উত্তরার মহিলা ও শিশু হাসপাতাল, বনশ্রীর ফেমাস স্পেশালাইজড হসপিটাল।

এছাড়াও অনুমতি পেয়েছে, ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ইমেজিং সেন্টার (সাত মসজিদ রোড), ইবনে সিনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (কল্যাণপুর), ইবনে সিনা হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার (যশোর), ইবনে সিনা ডি. ল্যাব অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার (উত্তরা), ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার (সাভার), ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার (মালিবাগ), ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার (রূপনগর), ইবনে সিনা হাসপাতাল (ধানমন্ডি), ইবনে সিনা হাসপাতাল (সিলেট), ইবনে সিনা ডি. ল্যাব অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার (গেন্ডারিয়া), ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টার (লালবাগ), ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার (চট্টগ্রাম), ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার (শেরপুর, বগুড়া), ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার (কেরানীগঞ্জ), ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার (কুমিল্লা), ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার (প্রগতি সরণি), বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতাল (শ্যামলী), হেলথ কেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার (শ্যামলী), গুলশান ক্লিনিক অ্যান্ড মেডিক্যাল সেন্টার হাসপাতাল (পাঁচলাইশ, চট্টগ্রাম), অথেনটিক ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন লি. (চানখারপুল), ইউনিভার্সাল মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল (মানিকগঞ্জ), ইসলামি ব্যাংক স্পেশালাইজড অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল (নয়াপল্টন), ইসলামি ব্যাংক হসপিটাল (মিরপুর), ডায়নামিক ল্যাব ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড মেডিক্যাল, এভারকেয়ার হসপিটাল।

খাজা ইউনুস আলী মেডিক্যাল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতাল (সিরাজগঞ্জ), হেলথ ল্যাবস লি. (শ্যাওড়াপাড়া), ট্রমা সেন্টার অ্যান্ড এও অর্থোপেডিক হসপিটাল (শ্যামলি), টিএমএসএস মেডিক্যাল কলেজ ও রফাতুল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতাল (বগুড়া), মেডিনোভা মেডিক্যাল সার্ভিসেস লি. (ধানমন্ডি শাখা), কে সি হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার (দক্ষিণখান), লুবানা জেনারেল হাসপাতাল (প্রা.) লি. (উত্তরা), মেডিনোভা মেডিক্যাল সার্ভিসেস (ইংলিশ রোড শাখা), মেডিনোভা মেডিক্যাল সার্ভিসেস (মালিবাগ শাখা), মেডিনোভা মেডিক্যাল সার্ভিসেস (মিরপুর শাখা), এএমজেড হাসপাতাল লিমিটেড, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে স্পেশালাইজড হসপিটাল অ্যান্ড নার্সিং কলেজ (কাসিমপুর), সাজেদা হাসপাতাল (কেরানীগঞ্জ), ম্যাক্সলাইফ মেডিক্যাল সার্ভিসেস, প্রেসক্রিপশন পয়েন্ট (বাড্ডা), ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, সিএসসিআর প্রাইভেট লিমিটেড (চট্টগ্রাম), সততা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন (নাটোর), সততা ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার-১ (নাটোর), এএফসি হেলথ-ফরটিস হার্ট ইনস্টিটিউট (খুলনা ইউনিট), ইন অ্যাসোসিয়েশন উইথ স্কর্ট হার্ট অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার (খুলনা), হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল (ঢাকা) এবং আইসিডিডিআর,বি, মহাখালী (ঢাকা)।

টেস্ট ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০০ টাকা। বাসা থেকে নমুনা সংগ্রহ করলে অতিরিক্ত ৫০০ টাকা নেওয়া যাবে। একই পরিবারের একাধিক সদস্যের নমুনা নিলেও ৫০০ টাকার বেশি নেওয়া যাবে না।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.