আজ জিয়াউর রহমানের ৮৭তম জন্মবার্ষিকী 

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের (বীর-উত্তম) ৮৭তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়া জেলার গাবতলীতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেন।

তার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো হাতে নিয়েছে ১০ দিনব্যাপী কর্মসূচি।

কর্মসূচি অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ভোরে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারাদেশের দলীয় কার্যালয়গুলোতে দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

বেলা ১১টায় শেরেবাংলা নগরে প্রয়াত নেতার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাবেন বিএনপির নেতারা।

শ্রদ্ধা নিবেদনের অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্যরা ছাড়াও অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেবেন।

বিকেল তিনটায় রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) সহযোগিতায় আয়োজন করা হয়েছে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের। পাশাপাশি দিনটিতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় দুস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের আয়োজন করেছে ঢাকা মহানগর (উত্তর ও দক্ষিণ) বিএনপি।

এদিন বগুড়ায় গাবতলীর বাগবাড়ি গ্রামে জিয়াউর রহমানের জন্মস্থানে শীতবস্ত্র বিতরণের কর্মসূচি দিয়েছে স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটি। সেখানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত থাকবেন।

এর আগে বুধবার নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে স্বেচ্ছায় রক্তদান, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা, দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ, ছিন্নমূল পথশিশুদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের আয়োজন করে ছাত্রদল।

মহাসচিবের বাণী

দলের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বাণীতে তিনি বলেন, ১৯ জানুয়ারি ২০২৩ মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৮৭তম জন্মবার্ষিকী। ১৯৩৬ সালের এই দিনে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন জিয়াউর রহমান। তাঁর পিতা মনসুর রহমান পেশায় ছিলেন একজন রসায়নবিদ। বগুড়া ও কলকাতায় শৈশব-কৈশোর অতিবাহিত করার পর জিয়াউর রহমান পিতার কর্মস্থল করাচিতে চলে যান।

শিক্ষাজীবন শেষে ১৯৫৫ সালে তিনি পাকিস্তান মিলিটারি অ্যাকাডেমিতে অফিসার হিসেবে কমিশন লাভ করেন। ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধে খেমকারান সেক্টরে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে তিনি যুদ্ধ করেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের এক নম্বর সেক্টরের এবং পরবর্তীতে ‘জেড ফোর্স’ ব্রিগেডের কমান্ডার হিসেবে যুদ্ধ পরিচালনা করেন। আজকের এই দিনে আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.