করোনার প্রভাবে বেকায়দায় স্পোর্টসভিত্তিক চ্যানেলগুলো

করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে স্পোর্টসের বিভিন্ন ইভেন্ট বাতিল হয়ে যাচ্ছে। স্পোর্টসভিত্তিক চ্যানেলগুলো টিকে থাকে বিভিন্ন ইভেন্ট লাইভ সম্প্রচার করে। বিভিন্ন ইভেন্ট লাইভ সম্প্রচারের জন্য আগে থেকেই টাকা দিয়ে রেখেছেন বেশিরভাগ চ্যানেল মালিক। কিন্তু এখন ইভেন্টগুলো বাতিল হয়ে যাওয়ায় তারা টাকা ফেরতও চাইতে পারছেন না, অন্যদিকে গ্রাহক হারানোরও শঙ্কায় রয়েছেন তারা। আর এ কারণে পুরো ক্যাবল ইন্ডাস্ট্রিই ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে।

সিএনবিসি’র প্রতিবেদক অ্যালেক্স শারম্যানের এক বিশ্লেষণাত্মক প্রতিবেদনে এমন শঙ্কার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতি বছরই টেলিভিশন চ্যানেলগুলো বিভিন্ন খেলা লাইভ সম্প্রচারের জন্য প্রচুর টাকা ঢেলে থাকেন। এর ব্যতিক্রম হয়নি এ বছরও। কিন্তু এবার বেশিরভাগ ইভেন্টই পেছানো হচ্ছে। অনেকগুলো ইভেন্ট হয়তো আর হবেই না।

এমন সংকটের মুখে টেলিভিশনের মালিকরা পড়েছেন চরম বেকায়দায়। কারণ একদিকে অনেক দিনের সম্পর্ক এবং চুক্তি হওয়ায় তারা টাকা ফেরতও চাইতে পারছেন না অন্যদিকে এগুলো পে-চ্যানেল (যেসব চ্যানেল টাকা দিয়ে সাবস্ক্রাইব করতে হয়) হওয়ায় গ্রাহক হারানোর শঙ্কায় রয়েছেন তারা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এ বছর অলিম্পিক হওয়ার কথা ছিল এবং তা সম্প্রচারের জন্য অনেক চ্যানেলই টাকা দিয়ে রেখেছিল। কিন্তু অলিম্পিক পিছিয়ে নেয়া হয়েছে আগামী বছরের গ্রীষ্মে। অন্যদিকে আরও বেশকিছু ইভেন্টে নিয়েই এমন শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

গ্রাহক হারানোর শঙ্কা থাকায় অনেক চ্যানেলই ভিন্ন কিছু দিয়ে গ্রাহক ধরে রাখতে চাইছে। যেমন ইএসপিএনই সরাসরি সম্প্রচার করতে না পারার ধকল কাটাতে জুনে সম্প্রচারের জন্য নির্ধারিত মাইকেল জর্ডান ডকুমেন্টারি সিরিজ চালাচ্ছে এপ্রিল থেকেই।

এই ধরণের পদক্ষেপ সাময়িক সময়ের জন্য স্বস্তি দিলেও তা আসলে দীর্ঘ সময়ের জন্য খুব একটা ভালো সমাধান নয় বলে মত দেয়া হয়েছে প্রতিবেদনে।

রিসার্স প্রতিষ্ঠান মোফেথ ন্যাথানসন্সের বিশ্লেষক ক্যারিগ মোফেথ বলেন, ক্যাবল নেটওয়ার্কের মূল আকর্ষণই হলো খেলার লাইভ সম্প্রচার। আর এটা ছাড়া জনপ্রিয়তা কমবেই।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.