প্রথম চলচ্চিত্র ‘ম্যাডাম ফুলি’তে অভিনয় করেই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছিলেন অভিনেত্রী সিমলা। তারপর থিতু হয়েছেন এ মাধ্যমেই। হাতে আছে বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রের কাজ। সম্প্রতি ঘুরে এসেছেন যুক্তরাষ্ট্র থেকে। ফিরে এসেই অংশ নিয়েছেন শুটিং-এ। সব মিলিয়ে কথা হলো এ অভিনেত্রীর সঙ্গে।
বেশ কিছুদিন আপনি দেশের বাইরে ছিলেন…
আমার শারীরিক চেকআপ ও বেড়ানো—দুটো কারণেই যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলাম। এ কারণে অনেকদিন কাজ থেকেও দূরে। গিয়ে অবশ্য তাড়াতাড়ি ফেরার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু হয়নি।
ফিরেই কি কাজে ডুব দিয়েছিলেন নাকি? ফোনে পাওয়া যায়নি।
বাইরে থেকে ফেরার পরপরই আমার মা অসুস্থ হয়ে যায়। তাঁকে নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। মায়ের হার্টের সমস্যা। এখনো চিকিত্সাধীন। রিং পরানোতে তিনি এখন কিছুটা সুস্থ।
শুটিং করলেন?
রুবেল আনুশ পরিচালিত ‘নিষিদ্ধ প্রেমের গল্প’ সিনেমা কাজ করলাম। গেল সপ্তাহে টানা কয়েকদিন শুটিং করেছি। তবে বিভিন্ন কারণে প্রায় ১০ মাস এই ছবির শুটিংটি বন্ধ ছিল। আগামী মাসেই ওসব কাজ শেষ হবে।
এই ছবিতে আপনার বিপরীতে একজন কিশোর অভিনয় করেছে শুনলাম?
হ্যাঁ, মামুনকে তো সবাই চেনে। হুমায়ূন আহমেদের ‘ঘেটুপুত্র কমলা’ চলচ্চিত্রের সেই মামুন। এই ছবিতে ও-ই আমার নায়ক। দারুণ অভিনয় করেছে। আর নিষিদ্ধ প্রেমের গল্পটাই কিন্তু একজন কিশোরের বেড়ে ওঠা ও নারীর প্রতি যে আগ্রহ তৈরি হয় সেসব নিয়ে। আমার মনে হয় এ ধরনের চলচ্চিত্র নির্মাণের ফলে কিশোরদের মনে একধরনের ইতিবাচক ধারণা তৈরি হবে। এটা আসলে শিক্ষামূলক চলচ্চিত্র।
‘নাইওর’ ছবির কাজও কি শেষ?
না। পুরোপুরি শেষ হয়নি। অল্প কিছু কাজ বাকি আছে। পরিচালক রাশিদ পলাশের সঙ্গে কথা হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি ‘নাইওর’ এর শুটিং শুরু হবে।
আপনার নতুন ছবি ‘ম্যাডাম ফুলি ২’ এর কি অবস্থা?
এখন আমার সব ধ্যানজ্ঞান ‘ম্যাডাম ফুলি ২’ ঘিরে। আমি নিজেকে সেভাবেই প্রস্তুত করছি। পরিচালক আশিকুর রহমান জানিয়েছেন, চিত্রনাট্যের কাজ শেষ। খুব তাড়াতাড়ি শুটিং শুরু হবে।
