মরণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে গোটা বিশ্বে চলছে কারফিউ ও লকডাউন। বন্ধ রয়েছে বিমান চলাচলসহ যাবতীয় যোগাযোগ। এ অবস্থায় যেসব দেশে এসে আটকা পড়েছেন এবং ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে ও কাজে ফিরতে পারেননি, তারা চাকরি হারাবেন না। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।
আজ শনিবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তার স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘চাকরি করা অবস্থায় যারা দেশে ছুটিতে এসেছেন এবং মেয়াদ শেষ হবার পরও বিমান যোগাযোগ না থাকায় এবং লকডাউনের কারণে কর্মস্থলে ফিরতে পারেননি, সংশ্লিষ্ট দেশের সরকার তাদের ছুটির বা ভিসার মেয়াদ বাড়িয়ে দেবেন। ফলে তারা চাকরিচ্যুত হবেন না।’
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাসসমূহ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোও সংশ্লিষ্ট দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বিষয়গুলো নিশ্চিত হয়েছে।’
বাংলাদেশের বেশিরভাগ প্রবাসী মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বিভিন্ন কর্মে নিযুক্ত। সম্প্রতি করোনাভাইরাসের কারণে অনেকেই বা সাধারণ ছুটিতেও অনেকে দেশে আসেন। কিন্তু করোনার মহামারি প্রকট আকার ধারণ করলে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ এমনকি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতেও কারফিউ ও লকডাউন জারি করা হয়েছে। সেইসঙ্গে বন্ধ রয়েছে বিমান চলাচল। ফলে চাইলেও এই পরিস্থিতিতে কেউ সংশ্লিষ্ট দেশে গিয়ে কাজে যোগ দিতে পারছেন না।
এই অবস্থায় অনেকের ভিসা ও ছুটির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। ফলে অনেকেই চাকরি হারানোর আতঙ্কে আছেন। তবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর এই তথ্য তাদের আতঙ্ক কমতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।