ফ্লোরিডায় বাংলাদেশের কনস্যুলেট অফিস চালুর একবছর পরও বসেনি পাসপোর্ট মেশিন

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বাংলাদেশের কনস্যুলেট অফিস চালুর এক বছর পরও বসেনি পাসপোর্ট মেশিন। এতে ৮টি অঙ্গরাজ্যে বসবাস করা লক্ষাধিক বাংলাদেশিকে পাসপোর্ট নবায়ন করতে যেতে হয় ওয়াশিংটন ডিসিতে। প্রবাসীদের দুর্ভোগের পাশাপাশি দিনে কয়েক হাজার ডলার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

বাংলাদেশের মতই আবহাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায়। রয়েছে নানা ব্যবসা ও চাকরির সুযোগ। তাই প্রবাসী বাংলাদেশিদের অন্যতম পছন্দ যুক্তরাষ্ট্রের এই অঙ্গরাজ্যটি। সেজন্য গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ফ্লোরিডায় চালু হয় বাংলাদেশের কনসুলেট অফিস।

ফ্লোরিডার পাশাপাশি জর্জিয়া, এ্যালাবামা, টেনেছি, সাউথ ক্যারোলিনা, আরকানসাস, মিসিসিপি, লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যকেও এর আওতায় আনা হয়। অথচ এক বছরেও এই অফিসে পাসপোর্ট মেশিন বসানো হয়নি।

বর্তমানে জন্ম নিবন্ধন, পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মত সুবিধা মিলছে ফ্লোরিডা অফিসে। কনস্যুলেট জেনারেল ইকবাল আহমেদ বলছেন, একটি পাসপোর্ট মেশিন বসাতে পারলে দিনে তিন হাজার ডলার আয় করা সম্ভব।

নিউইয়র্ক, লস এঞ্জেলেস ও ফ্লোরিডার কনস্যুলেট অফিসের অধীনে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ২৪টি অঙ্গরাজ্য। বাকি ২৬টি প্রদেশের প্রবাসীরা সরাসরি ওয়শিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাসের অধীনে।

আরও খবর
আপনার কমেন্ট লিখুন

Your email address will not be published.